আপনি এখানে:Homeঅ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইনঅ্যাডভোকেসিসুপ্র-আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাজেট ঘোষনার উপর তৃণমূলের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া।

সুপ্র-আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাজেট ঘোষনার উপর তৃণমূলের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া।

পরিমাণে বাড়লেও অত্যাবশ্যকীয় সেবাখাতে বাজেট অপ্রতুল

img 1জাতীয় বাজেট ২০১৪-১৫ ঘোষণার অব্যবহিত পরেই তৃণমূলের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান-সুপ্র । গত ৫ জুন, ২০১৪ সন্ধা ৭:০০ টায় সুপ্র কার্যালয়ে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদেরকে স্বাগত জানিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পত্র পাঠ করেন সুপ্র’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুর রহমান।

 

 

 

 

সংবাদ সম্মেলনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়ঃ

  • কার্যকর অর্থে জেলা বাজেট বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজন বাজেটের কাঠামোগত সংস্কার;
  • করের বোঝা আবারও তৃণমূলের কাঁধে;
  • এডিপি’র বাস্তবায়নের সক্ষমতা প্রশ্নসাপেক্ষ;
  • সাধারণ শিক্ষাখাতকে সামরিক ও ধর্মীয় শিক্ষাখাত থেকে পৃথক করতে হবে;
  • স্বাস্থ্য বাজেট সামান্য পরিমাণে বাড়লেও সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তা কতটুকু সহায়ক;
  • হ্রাস পেয়েছে কৃষি বরাদ্দ, নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে সার্বিক কৃষিজ উৎপাদনে।

বক্তারা বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে জনঅংশগ্রহণমূলক জেলা বাজেট বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া তারা আরও উল্লেখ করেন আগামী অর্থ বছরকে সামনে রেখে দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ব্যাপক প্রত্যাশা ও সময়ের বাস্তবতা মোকাবেলায় বিশাল অঙ্কের বাজেট প্রণীত হলেও বাজেট ব্যয়, ঘাটতি পূরণ এবং গুণগত বাস্তবায়ন করাই বাজেটের প্রধান চ্যালেঞ্জ। নতুন অর্থবছরে প্রস্তাবিত মোট বাজেট ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা যা চলতি অর্থবছরের (২০১৩-১৪) প্রস্তাবিত বাজেট থেকে ২৮,০১৫ কোটি টাকা এবং সংশোধিত বাজেট (২ লক্ষ ১৬ হাজার ২২২ কোটি টাকা) থেকে ৩৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত এই বাজেট মোট জিডিপির ১৮.৭% যা চলতি বাজেটের সমান। এর মধ্যে উন্নয়নমূলক ব্যয় ৮৬,৩৪৫ কোটি টাকা (এডিপি-৮০,৩১৫ কোটি টাকাসহ) , খাদ্য হিসাব ৩০৯ কোটি, ঋণ ও অগ্রীম ৯,৬১১ কোটি টাকা এবং অনুন্নয়ন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৪১ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ৬৭,৫৫২ কোটি টাকা (জিডিপি’র ৫ শতাংশ) যা মেটাতে নির্ভর করতে হবে দেশীয় এবং বিদেশী ঋণ ও অনুদানের উপর।

img 2img 3বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে বক্তারা আরও বলেন আমরা এবারও দেখতে পাচ্ছি যে একটা মোটা অঙ্কের টাকা (১২.৪%) ব্যয় হবে ঋণের সুদ পরিশোধ খাতে। এবারও জনপ্রশাসন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ যা মোট বাজেটের ১৫.৩%, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১.৪ শতাংশ বেড়ে ১৩.১% হয়েছে এবং স্বাস্থ্যখাতের মতো জনসেবাখাতে মাত্র ০.১% বাড়িয়ে ৪.৪% করা হয়েছে। অন্যদিকে কৃষির মতো দরিদ্রবান্ধব খাতে বরাদ্দ না বেড়ে বরং ৩% কমানো হয়েছে( বরাদ্দ ৪.৯%)।

সুপ্র মনে করে যে, মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার মত মৌলিক অধিকারের বিষয়গুলো সরবরাহ ও নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের সংবিধানে জনসেবা খাতগুলোতে ধনী-দরিদ্রের সমান অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জনসেবা খাতগুলোতে সকলের অভিগম্যতা নিশ্চিতকরণে জনসেবা খাতগুলোতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য দাবি করছি।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে কথা বলেন সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান-সুপ্র’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুর রহমান, নির্বাহী পরিষদের সদস্য এম এ কাদের, জাতীয় পরিষদের সদস্য শরীফা খাতুন, মাধব চন্দ্র দত্ত, মঞ্জু রাণী প্রামাণিক, সুপ্র’র পরিচালক এলিসন সুব্রত বাড়ৈ। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ ও সুপ্র সচিবালয়ের সদস্যবৃন্দ।

সংবাদ পত্র লিংক
 inqilab  banglanews24 arthosuchak
 dhakarnews  narailkantho  

ফেসবুক লাইক বক্স

ভিডিও

Go to top