আপনি এখানে:Homeঅ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইনঅ্যাডভোকেসিসুপ্র আয়োজিত জাতীয় সংলাপে আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ সহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের দাবী।

সুপ্র আয়োজিত জাতীয় সংলাপে আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ সহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার প্রদানের দাবী।

img 1জাতীয় বাজেটে দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ও অসমতা কমানোর স্বার্ত্থে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেটের কমপক্ষে ২০% শিক্ষায়, ১০% স্বাস্থ্য সেবায় ও ২০% সমাজিক সুরক্ষায় প্রদান করার দাবি জানানো হয়। বিএমএ ভবনে ‘স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন অভিযাত্রায় কাউকে পেছনে রাখা যাবেনা’ - শীর্ষক সংলাপে স্থানীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাজের সুপারিশমালার ভিত্তিতে সুপ্র চেয়ারপার্সন আবদুল আউয়ালের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় সংলাপে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ড. আতিউর রহমান। সংলাপে আলোচনাপত্র পাঠ করেন সুপ্র কোষাধ্যক্ষ মঞ্জু রাণী প্রামাণিক।

ড. আতিউর রহমান, তাঁর বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়েেনর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আর্থিক স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের মতো মৌলিক নীতি সংস্কারসহ ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে সুচিন্তিত বাজেট ও তার দক্ষ বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি এ লক্ষ্যে নতুন দিনের নতুন নীতি কৌশল গ্রহণের উপর গুরত্বারোপ করে স্থায়ীত্বশীল উন্নয়ন অভিযাত্রাকে বেগবান ও টেকসই করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামজিক সুরক্ষায় গুরুত্ব দেয়ার মত প্রকাশ করেন।

সংলাপে অন্যান্যের মধ্যে নারী নেত্রী শিরিন আক্তার, এমপি, সিপিবি’র সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এম. আবু ইউসুফ, অক্সফ্যাম’র পলিসি এ্যাডভোকেসী ক্যাম্পেইন এন্ড কমিউনিকেশন্স লীড এস এম মনজুর রশীদ, গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন’র সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা, সুপ্র’র ভাইস চেয়ারপার্সন আহমেদ স্বপন মাহমুদ, এ্যাকশন এইড বাংলাদেশ এর পরিচালক আসগর আলী সাবরী ও সিটিএফকে’র গ্রান্টস ম্যানেজার আব্দুস সালাম মিয়া ও সুপ্র জেলা প্রতিনিধিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

সংলাপে আসন্ন ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবনাঃ
- জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষাখাতে বাজেটের কমপক্ষে ২০% বা জিডিপি’র ৬% বরাদ্দ নিশ্চিত করা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুদের জন্য পুষ্টিমান সম্পন্ন দুপুরের খারার সরবরাহে বাড়তি বরাদ্দ প্রদান করতে হবে;
- স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে ইউনিয়ন ও উপজেলা কমিউনিটি ক্লিনিক সহ সকল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স ও ঔষধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সুশাসন ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে;
- প্রত্যক্ষ কর নির্ভর বাজেট প্রণয়ন করা সহ করের বিপরীতে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে;

Go to top