আপনি এখানে:Homeঅ্যাডভোকেসি ও ক্যাম্পেইনঅ্যাডভোকেসি

সুপ্র’র আয়োজিত বিদ্যমান কর ও মূসক বিষয়ক জাতীয় সংলাপে বক্তারা এসডিজি অর্জনে দরকার, প্রগতিশীল কর সংস্কার

img 1১৩ ডিসেম্বর ২০১৭, বুধবার সকাল ১০.০০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বেসরকারি নাগরিক সংগঠনের জোট সুশাসনের জন্য প্রচারাভিযান-সুপ্র্র “এসডিজি অর্জনে দরকার, প্রগতিশীল কর সংস্কার” শীর্ষক জাতীয় সংলাপের আয়োজন করে। কর সুশাসন ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটি জাতীয় সংলাপের আয়োজন করে।

সুপ্র সভাপতি এস. এম. হারুন অর রশীদ লাল-এর সভাপতিত্বে ও সুপ্র জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল আউয়ালের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এম, এ, মান্নান, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন কাজী রোজী এমপি, সহ-সভাপতি, জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাস; নাজমুল হক প্রধান, এমপি, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় পরিকল্পনা ও বাজেট সম্পর্কিত সংসদীয় ককাস ও বিএনপি’র সাবেক সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সভায় মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম এ মজিদ, আলোচক হিসেবে ছিলেন মূসক কমিশনার মো. মতিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এম আবু ইউসুফ, উইমেন চেম্বারের সভাপতি সেলিমা রহমান প্রমূখ।

বিস্তারিত পড়ুন...

জাতীয় পর্যায়ে সুপ্র আয়োজিত বাজেট পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় বক্তারা।

“আকারে বাড়লেও সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অত্যাবশ্যকীয় সেবাখাতে বরাদ্দ অপ্রতুল”

img 1দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ব্যাপক প্রত্যাশা ও সময়ের বাস্তবতা মোকাবেলায় বাজেট আকারে বাড়লেও সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অত্যাবশ্যকীয় সেবাখাতে বরাদ্দ অপ্রতুল। পাশাপাশি বাজেট ব্যয়, ঘাটতি পূরণ এবং গুণগত বাস্তবায়ন করাই এবারের বাজেটের প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনের সেমিনার কক্ষে সুপ্র আয়োজিত বাজেট পরবর্তী পর্যালোচনা সভায় বক্তারা এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। সুপ্র’র নির্বাহী পরিষদের সদস্য এমএ কাদের-এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুপ্র’র পরিচালক এলিসন সুব্রত বাড়ৈ ও বাজেট পর্যালোচনা উপস্থাপন করেন সুপ্র’র ক্যাম্পেইন সমন্বয়কারী সাকেরা নাহার। বাজেট পর্যালোচনায় বলা হয়, বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ৬৭,৫৫২ কোটি টাকা (জিডিপি’র ৫ শতাংশ) যা মেটাতে নির্ভর করতে হবে দেশীয় এবং বিদেশী ঋণ ও অনুদানের উপর। বাজেট বরাদ্দের ক্ষেত্রে এবারও একটা মোটা অঙ্কের টাকা (১২.৪%) ব্যয় হবে ঋণের সুদ পরিশোধ খাতে। এবারও জনপ্রশাসন খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ যা মোট বাজেটের ১৫.৩%, ২য় সর্বোচ্চ খাত শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১.৪ শতাংশ বেড়ে ১৩.১% হয়েছে এবং স্বাস্থ্যখাতের মতো জনসেবাখাতে মাত্র ০.১% বাড়িয়ে ৪.৪% করা হয়েছে। অন্যদিকে কৃষির মতো দরিদ্রবান্ধব খাতে বরাদ্দ না বেড়ে বরং ৩% কমানো হয়েছে (বরাদ্দ ৪.৯%)।

বিস্তারিত পড়ুন...

পাতা 1 এর 3

ফেসবুক লাইক বক্স

ভিডিও

Go to top